•গণিতের আদি
ভূমি- মিশর,
ভারতবর্ষ, ব্যাবিলন। ‘০’ সংখ্যাটির
জনক আর্য্যভট্ট। ‘০’
সংখ্যাটির উতপত্তি ভারতীয় উপমহাদেশে।
আর্যভট্ট হলেন
পাটিগণিতের জনক। বীজগণিতের জনক
হলেন মু:
ইবনে মুসা
আল খা3য়ারিজমী।
•জ্যামিতির জনক
ইউক্লিড।
তিনি ১৩
খন্ডের ‘The elements’ বইটি রচনা
করেন।
•বলবিদ্যার জনক
নিউটন।
•সেটতত্ত্বের জনক
ফিলিপ ক্যান্টর।
•গণিতে লগারিদমের
জনক জন
নেপিয়ার।
•অংক দুই
প্রকার: স্বার্থক
অংক (১-৯) এবং
সাহায্যকারী অংক (০)। স্বার্থক
অংকের ধারণা
দেন আরবীয়রা
(মিশর, ব্যাবিলন)।
•১-১০০
পর্যন্ত ২৫টি
মেৌলিক সংখ্যা
পা3য়া
যায়।
মেৌলিক সংখ্যার
বর্গমূল সর্বদা
অমূলদ সংখ্যা।
•০-১০ পর্যন্ত ৪টি,
১১-২০
পর্যন্ত ৪টি,
২১-৩০
পর্যন্ত ২টি,
৩১-৪০
পর্যন্ত ২টি,
৪১-৫০
পর্যন্ত ৩টি,
৫১-৬০
পর্যন্ত ২টি,
৬১-৭০
পর্যন্ত ২টি,
৭১-৮০
পর্যন্ত ৩টি,
৮১-৯০
পর্যন্ত ২টি,
৯১-১০০
পর্যন্ত ১টি
মেৌলিক সংখ্যা
পা3য়া
যায়।
বিভাজ্যতা নির্ণয়:
২ দ্বারা
বিভাজ্য: কোন
সংখ্যার শেষ
অংক বা
এককের অংক
যদি জোড়
সংখ্যা বা
০ হয়,
তবে ঐ
সংখ্যা ২
দ্বারা বিভাজ্য
হবে।
যেমন- ৬,
১০ ইত্যাদি।
৩ দ্বারা
বিভাজ্য: কোন
সংখ্যার অঙ্কগুলোর
সমষ্টি ৩
দ্বারা বিভাজ্য
হলে সংখ্যাটি
৩ দ্বারা
বিভাজ্য হবে। যেমন-
১২৩
৪ দ্বারা
বিভাজ্য: কোন
সংখ্যার শেষ
দুটি অংক
দ্বারা গঠিত
সংখ্যা ৪
দ্বারা বিভাজ্য
হলে উক্ত
সংখ্যাটি ৪
দ্বারা বিভাজ্য
হবে।
যেমন- ৭৪৫২৮।
৫ দ্বারা
বিভাজ্য: কোন
সংখ্যার শেষে
০ বা
৫ থাকলে
ঐ সংখ্যাটি
৫ দ্বারা
বিভাজ্য হবে। যেমন-
১০১১০।
৬ দ্বারা
বিভাজ্য: সংখ্যাটি
জোড় এবং
অংকগুলোর যোগফল
৩ দ্বারা
বিভাজ্য হলে
উক্ত সংখ্যাটি
৬ দ্বারা
বিভাজ্য হবে। যেমন-
১২৫৪।
৮ দ্বারা
বিভাজ্য: কোন
সংখ্যার শেষ
৩টি অংক
দ্বারা গঠিত
সংখ্যা ৮
দ্বারা বিভাজ্য
হলে উক্ত
সংখ্যা ৮
দ্বারা বিভাজ্য
হবে।
যেমন- ৮৫৭৮১২০।
৯ দ্বারা
বিভাজ্য: কোন
সংখ্যার অংকগুলোর
সমষ্টি ৯
দ্বারা বিভাজ্য
হলে উক্ত
সংখ্যাটি ৯
দ্বারা বিভাজ্য। যেমন-
৬৫৮৪৭৬।
Nice explanation. To see more plz visit: Faster Math
ReplyDeletethanks
ReplyDelete